Skip to main content

যে দুই কারনে দেশে ভয়াবহ বন্যা হচ্ছে।(শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন)

অনলাইন নিত্যবার্তাঃতিস্তার উজানে ভারতের দৌমহনী থেকে পানি ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে। তিস্তার পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থায় তিস্তার উজানে ভারতের অংশে ভারতীয় সেচ মন্ত্রণালয় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।
পাশাপাশি তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে বিশেষ সতর্কতা সঙ্কেত জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে তিস্তা অববাহিকার সব ইউপি চেয়ারম্যানের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে তিস্তায় বসবাসরতদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, তিস্তার উজানে ভারতে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় সব ইউপি চেয়ারম্যানের মোবাইল ফোনে নদীতে বসবাসরতদের সরিয়ে আনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিস্তায় বসবাসরতদের বাঁধসহ উঁচু স্থানে আশ্রয় নেয়ায় ইউপি চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
একদিকে মুষলধারে বৃষ্টি অন্যদিকে তিস্তার পানি বৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছে তিস্তার পাড়ের বন্যাদুর্গত এলাকার লোকজন। উজানের ঢলের পানি ঘোলা, বিভিন্ন গাছের পাতা ও কচুরিপানা থাকার কারণে এলাকাবাসীর ধারণা উজানে বন্যার পানি আসছে
তিস্তা নদীর উজানে বসবাস করা পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন ও পূর্ব খড়িবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। সেই তিস্তা উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন গ্রামে মাইকিং করে রেড অ্যালার্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে। পূর্ব খড়িবাড়ি গ্রামের মিরাজ উদ্দিন বলেন, পানির স্রোতের অবস্থা দেখে বুঝা যায় আশপাশের গ্রামগুলো সব ডুবে যাবে। সেই সঙ্গে বড় ধরনের বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
পাউবো অফিসে সূত্রে জানা যায়, তিস্তার টানা কয়েকদিনে বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে তিস্তায় বন্যা দেখা দিয়েছে। তিস্তার ব্যারেজের ৬০ কিলোমিটার উজানে ভারত গজলডোবা বাঁধটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণ করেন। গজলডোবা বাঁধটির ৫৪টি গেটের মাধ্যমে উজানে বন্যা হলে সকল গেট খুলে দিলে ধেয়ে আসছে বন্যার পানি ও বাংলাদেশের অংশে ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে এলাকায় বন্যা দেখা দেয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে কিসামত চরের আবুল কালাম জানান, দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তিস্তার পানি। বিকেল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি থেকে মনে হচ্ছে বড় ধরনের বন্যা দেখা দেবে। ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে তিস্তা নদীর পানি শনিবার সকাল ৬টা থেকে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার (৫২ দশমিক ৪০) ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নদীর শোঁ শোঁ শব্দ আর গর্জন তিস্তা অববাহিকা কাঁপিয়ে তুলেছে। অপরদিকে বুড়ি তিস্তা নদীটি ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই এলাকায় বাঁধ ভেঙে গেছে। এছাড়া তিস্তা ব্যারাজ সেচ প্রকল্পের জলঢাকাস্থ দুন্দিবাড়ির অদূরে দিনাজপুর প্রধান সেচ ক্যানেলের ডানতীরের বাঁধ দুইটির বিভিন্ন স্থানে বিধ্বস্ত হয়েছে!

Comments

Popular posts from this blog

এইচএসসিতে আলাদা পাসের বিধান অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাই কোর্ট

বাংলাদেশের উচ্চ-মাধ্যমিক/ এইচএসসি পরীক্ষায় তিনটি বিষয়ে নৈর্ব্যত্তিক, সৃজনশীল ও ব্যবহারিক অংশে আলাদা আলাদাভাবে পাসের বিধান অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাই কোর্ট। তাসনীম রাইসা নামের এক শিক্ষার্থীর গত বছর করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এবছর ২৯ জানুয়ারি ঘোষিত এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি বুধবার প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে এইচএসসির পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের নৈর্ব্যত্তিক, সৃজনশীল ও ব্যবহারিকে আলাদাভাবে পাসের বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ঢাকা সিটি কলেজ থেকে ২০১৩’র এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ঐ শিক্ষার্থী বাংলা, জীব বিজ্ঞান, গণিতে এ প্লাস এবং ইংরেজি ও পদার্থ বিজ্ঞানে এ গ্রেড এবং রসায়নে এফ গ্রেড পান। ঐ বছর ৩ অগাস্ট তার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়।
বিডিনিউজ২৪ ডটকমের এক
প্রতিবেদনে জানা যায়, রায়ে বলা হয়, “এখানে দেখা যায়, রিটকারী রসায়নের অন্য পার্টগুলোতে উত্তীর্ণ হলেও ব্যবহারিকে প্রয়োজনীয় নম্বর অর্জনে ব্যর্থ হয়েছেন। আমাদের মত হচ্ছে, নৈর্ব্যত্তিক, সৃজনশীল ও ব্যবহারিকে পাস করার বিধানকে আইন সমর্থন করে না। এ কারণে তাকে পাস বলে বিবেচনা করা উচিত।”
‘”পুনঃগণনা”র পরিবর্তে “পুনঃনিরীক্ষা” করা যাবে না বলে যে ব…

Hsc Exam Routine 2017 -All board Bangladesh

I know HSC Exam Routine is how much important at all
students. Becuase I passed the exam. Once the HSC Exam
Routine 2017 and Alim Routine 2017 will be published, then
you can collect the routine from here.
If You get gelp from here..please comment Some Thing!

পরীক্ষার সময় নিয়ে বিভ্রাট, মানববন্ধনে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান (সৃজনশীল) প্রথম পত্র পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই কিশোরগঞ্জে পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র কর্তব্যরত পরিদর্শকেরা টেনে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, সোমবার অনুষ্ঠিত পদার্থবিজ্ঞান (সৃজনশীল) প্রথম পত্রের ৫০ নম্বরের পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময় ছিল দুই ঘন্টা ৩৫ মিনিট। কিন্তু প্রশ্নপত্রে দুই ঘন্টা ২০ মিনিট লেখা থাকার অজুহাতে ১৫ মিনিট আগেই তাদের উত্তরপত্র টেনে নেয়া হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের আগে উত্তরপত্র নিয়ে যাওয়ায় উত্তর জানা থাকা সত্ত্বেও কোন পরীক্ষার্থীই নির্ধারিত পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর লিখতে পারেনি। উত্তর লিখতে না পেরে বাড়ি ফিরে তারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে। যে পরীক্ষার্থীরা এ প্লাস কিংবা ভাল ফলাফলের আশা করেছিল, তারাও এখন ফল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সকালে শহরের সরকারি গুরুদয়াল কলেজের সামনে মানববন্ধন করে এর প্রতিকার দাবি করেছে পরীক্ষার্থীরা। সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন কর্মসূচীতে জেলা শহরের বিভিন্ন কলেজের কয়েকশ’ পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এ সময় পরীক্ষার্থীরা ‘১৫ মিনিটের বলির শিকার আমরা কেন?’, ‘কর্তৃপক্ষের…